মুখের নিস্তেজ ভাব, সানট্যান আর ক্লান্ত ত্বক নিয়ে চিন্তিত? চালের পুষ্টিকর নির্যাস ও নায়াসিনামাইড সমৃদ্ধ এই রাইস এসেন্স ক্লিনজারের আলতো ছোঁয়ায় ফিরে পান উজ্জ্বল, ফ্রেশ ও কাচের মতো স্বচ্ছ ত্বক!
প্রোডাক্টের বিবরণ:
কর্মেসিক রাইস এসেন্স ক্লিনজারটি আপনার ত্বককে কোমলভাবে পরিষ্কার করার পাশাপাশি উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত করে তোলার জন্য একটি অত্যন্ত কার্যকরী ফেসিয়াল ক্লিনজার। এতে রয়েছে প্রাকৃতিক চালের নির্যাস (Natural Rice Extract) এবং নিয়াসিনামাইড (Niacinamide), যা ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে ময়লা ও মৃত কোষ দূর করে, ত্বকের কালচে ভাব কমায় এবং ত্বককে ফরসা ও দীপ্তিময় করে তোলে। এর মৃদু ও ময়েশ্চারাইজিং ফর্মুলা ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা রক্ষা করে, তাই ক্লেনজিংয়ের পরও ত্বক শুষ্ক বা টানটান লাগে না। প্রতিদিনের ব্যবহারে ত্বক থাকে সতেজ, মসৃণ, আর্দ্র ও স্বাস্থ্যকর।
মূল উপকারিতা:
গভীর পরিষ্কার (Deep Cleansing): ত্বকের লোমকূপের গভীরে জমে থাকা ময়লা, ধুলাবালি ও অতিরিক্ত তেল দূর করে।
উজ্জ্বলতা ও ফরসা ভাব (Whitening): নিয়াসিনামাইডের শক্তিতে ত্বকের কালচে ভাব ও দাগ কমিয়ে ত্বককে উজ্জ্বল করে।
প্রাণবন্তকরণ (Revitalizing): চালের নির্যাস ত্বকের ক্লান্তি দূর করে এবং ত্বকে একটি সতেজ, প্রাণবন্ত ভাব নিয়ে আসে।
কোমল ময়েশ্চারাইজিং (Gentle Moisture): ত্বককে শুষ্ক হতে দেয় না, বরং আর্দ্র, নরম ও কোমল রাখে।
ত্বকের টেক্সচার উন্নয়ন: ত্বকের রুক্ষতা ও খসখসে ভাব কমিয়ে ত্বককে মসৃণ ও প্রাণবন্ত করে তোলে।
নন-গ্রিজি ফর্মুলা: ত্বকে দ্রুত মিশে যায়, কোনো আঠালো বা তেলতেলে ভাব তৈরি করে না।
ব্যবহারের নিয়ম (How to Use):
১. প্রথমে মুখ ও হাত পরিষ্কার পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিন।
২. পরিমাণমতো ক্লিনজার হাতে নিয়ে মুখে ও গলায় আলতো করে বৃত্তাকার গতিতে ১-২ মিনিট ম্যাসাজ করুন যাতে ফেনা তৈরি হয়।
৩. এরপর পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।
৪. সকালে ও রাতে প্রতিদিন ব্যবহার করতে পারেন। ব্যবহারের পর ময়েশ্চারাইজার বা সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উত্তম।